“গোস্টস অফ হিরোশিমা বইটি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার একটি মনোমুগ্ধকর বিবরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো”
-জেমস ক্যামেরন
“সাধারণ মানুষদের একটি গল্প। যেখানে একইসাথে ভুক্তভোগী এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের মুখোমুখি করা হয়েছে অনন্য এক ইতিহাসে সামনে।”
-কার্কাস রিভিউস
“পেলেগ্রিনো একজন জাদুকরি গল্পকার”
-লস অ্যামজেলস টাইমস বুক রিভিউ
“পেলেগ্রিনোর সর্বশেষ গবেষণাটি ছিল হিরোশিমা ও নাগাসাকির পারমাণবিক বোমার হাত থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষদের নিয়ে। তার ভিত্তিতে লেখা এই বইটি অসংখ্য ভুল ধারণার অবসান ঘটিয়েছে। বইটি অনায়াসেই পাঠকদের চিন্তার খোরাক জোগাতে সক্ষম।”
-বুকলিস্ট
“হিরোশিমা ও নাগাসাকির নজিরবিহীন ও বিধ্বংসী পারমাণবিক হামলার অকাট্য একটি দলিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা বইটিকে করেছে প্রাঞ্জল। যারা খুব কাছে থেকে ঐ দুঃসময়টা অনুভব করতে চায়, তাদের জন্য এটি হবে চমৎকার একটি পাঠ।”
-লাইব্রেরি জার্নাল(স্টারড রিভিউ)
১৯৫০-এর দশক থেকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটা পারমাণবিক যুদ্ধ মোকাবেলা করার জন্য ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। সেই সাথে তারা এমন কিছু কর্মপদ্ধতি বা প্রোটোকলকেও নিখুঁত করেছে, যা নিশ্চিত করবে যে একটা মহাপ্রলয়ঙ্করী পারমাণবিক ধ্বংসলীলায় লক্ষ কোটি আমেরিকান মারা গেলেও দেশটির সরকার যেন সচল থাকতে পারে।
একটা পারমাণবিক মিসাইল নিক্ষেপের পরের মুহূর্তগুলোতে কী ঘটতে পারে, তা নিয়ে তৈরিকৃত দৃশ্যপটের ভিত্তি হলো বাস্তব তথ্য। এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বহু বছর ধরে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করা প্রেসিডেন্টর উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, পারমাণবিক অস্ত্র প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, যোদ্ধা, বিমানকর্মী, বিশেষ অপারেটর, সিক্রেট সার্ভিস, জরুরি অবস্থা ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ, গোয়েন্দা বিশ্লেষক, সরকারি কর্মকর্তা এবং আরও অনেকের বিশেষ সাক্ষাৎকার থেকে। যেহেতু সর্বাত্মক পারমাণবিক যুদ্ধের পরিকল্পনাগুলোর ব্যাপারে মার্কিন সরকার সর্বোচ্চ স্তরের গোপনীয়তা বজায় রাখে, তাই এই বই এবং এর দৃশ্যকল্প আইনগতভাবে যা যা জানা সম্ভব, পাঠককে তার সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত নিয়ে যাবে। কিছু গোপন নথি, যা কয়েক দশক ধরে আলো মুখ দেখেনি এবং পরবর্তীতে একসময় প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো প্রয়োজনীয় বিবরণগুলো ভয়াবহ স্পষ্টতার সাথে তুলে ধরেছে।

Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.